তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে, প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর আঞ্চলিক পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে, তবে এটি সম্পন্ন হতে সময় প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের জন্য একনেকে ইতোমধ্যে বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার ভাষায়, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার এসব বড় প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছে, তবে কিছুটা সময় প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামনে বর্তমানে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা কার্যকর করা। সরকার গঠনের পর খুব অল্প সময় পার হয়েছে, তাই এসব বিষয়ে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল ও যাচাই-বাছাইয়ের বিভিন্ন ধাপ রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আগামী ১১ ডিসেম্বর ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চুক্তিটি পুনর্নবায়নের জন্য আলোচনা চলছে। অতীতের চুক্তিগুলোর মধ্যে ১৯৭৭ সালের চুক্তিটি সবচেয়ে কার্যকর ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এ আয়োজন দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তার মতে, প্রধানমন্ত্রী চান এই প্ল্যাটফর্ম থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করুক।
অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানরা যদি পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় আগ্রহী হয়, তবে তাদের সুযোগ দেওয়া উচিত। তার মতে, খেলাধুলায় সফল হলে একজন শিক্ষার্থী দেশের জন্যও সম্মান বয়ে আনতে পারে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম।
প্রতি / এডি / শাআ













